রাধারমণ গীতিসমগ্র
কৃষ্ণ নামে আমার মন কেন মজে না
স্বভাব দোষ আর গেলো না ।
নিষেধ বাধা নাহি মানে প্রবল হইয়া ছয়জনা ।।
ছয় দিকে ছয়জনায় টানে নিষেধ মানে না ।
আমায় অকূলে ডুবাইয়ে মারলো কূলকিনারা পাইলাম না ।।
হরেকৃষ্ণ হরেকৃষ্ণ কর উপাসনা ।
হরেকৃষ্ণ নাম লইলে ভব যন্ত্রণা রবে না ।।
ভাইবে রাধারমণ বলে শুন রে আমার মনা
গুরুর পদে না হইলো রতি রইলাম কেন, মরলাম না ।।
রাধারমণ গীতিসমগ্র
Nasir Uddin Vuiya is a multi talended person. A musician who collect folk songs, an artist, an actor, a writer, a filmmaker, a programmar, a youtuber and especially a sadhu... who beg food everyday, and beg for shelter every night.
নূর মোহাম্মদ ছাল্লিয়ালা
দুর্বিন গীতিসমগ্র
নূর মোহাম্মদ ছাল্লিয়ালা
ইসলাম পতি, উম্মতের সারথী
দুজাহান তরানেওয়ালা ।।
আউয়ালে আহাদ, দুওমে আহাম্মদ
ছিওমে মোহাম্মদ, চাঁদের উজালা ।
চাহারমে রাসুল, দুজাহানের মকবুল
রঙিন গোলাপফুল, পুষ্পমালা ।।
আবুবকর উসমান, আনিলেন ঈমান
আবু জেহেল প্রমান নাহি মানিলা ।
প্রিয় মুসলিম ওলিগণ, দ্বীনে আসে জনে জন
ভ্রমরা যেমন ফুলে উতালা ।।
শুনেছি কোরাণে, আপনার কর্ণে
ওয়াতি রাসুল ওয়াতি উল্লা ।
সে চরণের আশা, মনে রাখি ভরসা
পাগল দুর্বিন শা রাহে লিল্লা ।।
দুর্বিন গীতিসমগ্র
নূর মোহাম্মদ ছাল্লিয়ালা
ইসলাম পতি, উম্মতের সারথী
দুজাহান তরানেওয়ালা ।।
আউয়ালে আহাদ, দুওমে আহাম্মদ
ছিওমে মোহাম্মদ, চাঁদের উজালা ।
চাহারমে রাসুল, দুজাহানের মকবুল
রঙিন গোলাপফুল, পুষ্পমালা ।।
আবুবকর উসমান, আনিলেন ঈমান
আবু জেহেল প্রমান নাহি মানিলা ।
প্রিয় মুসলিম ওলিগণ, দ্বীনে আসে জনে জন
ভ্রমরা যেমন ফুলে উতালা ।।
শুনেছি কোরাণে, আপনার কর্ণে
ওয়াতি রাসুল ওয়াতি উল্লা ।
সে চরণের আশা, মনে রাখি ভরসা
পাগল দুর্বিন শা রাহে লিল্লা ।।
দুর্বিন গীতিসমগ্র
দোল দোলা দোল পুতুল খোকা
মনোমোহন গীতিসমগ্র
দোল দোলা দোল পুতুল খোকা ।
মায়ামঞ্চে দোল খাইয়ে, কি সুখ পেয়ে আছিস বোকা ।।
কামনার দুই কাছি দিয়ে, আশাবৃক্ষে দোল টাঙ্গাইয়ে
দোল দিতেছে একটি মেয়ে, দেখলাম চেয়ে ভঙ্গি বাঁকা ।
মেয়ে নয় সে মায়া পাখি, ফাঁকি দেয় তার ছদ্ম আঁখি
পুতুল খেলায় মত্ত সখি, দুই ধারে দুই আছে পাখা ।
নিমিষে ব্রহ্মাণ্ড ঘুরে, দোল খেলায় আর হেসে মরে
ফাদ পেতে চাঁদ রাখে ধরে, ভেল্কি করে দেয় ধোকা ।
তার দোলেতে সবাই বসে, কেউ বা কাঁদে, কেউ বা হাসে
অমনি মেয়ে সর্বনেশে দশকুশিতে দেয় টোকা ।
সে তালে উঠিয়া ফাল, ঠিক থাকেনা কালাকাল
লুটে নেয় সব মালামাল, যার কপালে যা লেখা ।
দোলনি খেয়ে মাথা ঘুরে, মনোমোহন গেছে পড়ে
বন্ধু জনায় চায়না ফিরে, কান্দছে বসে সে একা ।।
মনোমোহন গীতিসমগ্র
দোল দোলা দোল পুতুল খোকা ।
মায়ামঞ্চে দোল খাইয়ে, কি সুখ পেয়ে আছিস বোকা ।।
কামনার দুই কাছি দিয়ে, আশাবৃক্ষে দোল টাঙ্গাইয়ে
দোল দিতেছে একটি মেয়ে, দেখলাম চেয়ে ভঙ্গি বাঁকা ।
মেয়ে নয় সে মায়া পাখি, ফাঁকি দেয় তার ছদ্ম আঁখি
পুতুল খেলায় মত্ত সখি, দুই ধারে দুই আছে পাখা ।
নিমিষে ব্রহ্মাণ্ড ঘুরে, দোল খেলায় আর হেসে মরে
ফাদ পেতে চাঁদ রাখে ধরে, ভেল্কি করে দেয় ধোকা ।
তার দোলেতে সবাই বসে, কেউ বা কাঁদে, কেউ বা হাসে
অমনি মেয়ে সর্বনেশে দশকুশিতে দেয় টোকা ।
সে তালে উঠিয়া ফাল, ঠিক থাকেনা কালাকাল
লুটে নেয় সব মালামাল, যার কপালে যা লেখা ।
দোলনি খেয়ে মাথা ঘুরে, মনোমোহন গেছে পড়ে
বন্ধু জনায় চায়না ফিরে, কান্দছে বসে সে একা ।।
মনোমোহন গীতিসমগ্র
এগো রহিম জান গো তো লাগিয়া হাছন রাজা পাগল গো
হাছন গীতিসমগ্র
এগো রহিম জান গো তো লাগিয়া হাছন রাজা পাগল গো ।
রহম করিয়া আইসো একবার কোলে লই গো ।
সুন্দর সুন্দর তুমি সংসার জিনিয়া, সংসার জিনিয়া ।
হাছন রাজা পাগল হইছে তোমার চান্দমুখ দেখিয়া ।।
চান্দের লাখান মুখখান তোমার ঝলমল ঝলমল করে ।
আরে যে দেখিলো একবার সে কি আর পাশরে ।।
আচানক রুপ তোমার দেখতে চমৎকার ।
আরে বর্ণনা যে করে রুপের শক্তি আছে কার ।।
তোমার রুপের কথা কহন না যায় ।
তুলনা যে দিবো কীসে মুখে না জোওয়ায় ।।
হাছন রাজায় দেখছে তোমায় দু নয়ন ভরিয়া ।
সেই কথা মনে হইয়া নাচে হাতে তালি দিয়া ।
হাছন রজায় দেখিয়া বলে তোমার নূরী অঙ্গ ।
কোরবান হইয়াছি আজি তোমার রাঙ্গ ঠেঙ্গ ।।
হাছন গীতিসমগ্র
এগো রহিম জান গো তো লাগিয়া হাছন রাজা পাগল গো ।
রহম করিয়া আইসো একবার কোলে লই গো ।
সুন্দর সুন্দর তুমি সংসার জিনিয়া, সংসার জিনিয়া ।
হাছন রাজা পাগল হইছে তোমার চান্দমুখ দেখিয়া ।।
চান্দের লাখান মুখখান তোমার ঝলমল ঝলমল করে ।
আরে যে দেখিলো একবার সে কি আর পাশরে ।।
আচানক রুপ তোমার দেখতে চমৎকার ।
আরে বর্ণনা যে করে রুপের শক্তি আছে কার ।।
তোমার রুপের কথা কহন না যায় ।
তুলনা যে দিবো কীসে মুখে না জোওয়ায় ।।
হাছন রাজায় দেখছে তোমায় দু নয়ন ভরিয়া ।
সেই কথা মনে হইয়া নাচে হাতে তালি দিয়া ।
হাছন রজায় দেখিয়া বলে তোমার নূরী অঙ্গ ।
কোরবান হইয়াছি আজি তোমার রাঙ্গ ঠেঙ্গ ।।
হাছন গীতিসমগ্র
আর আমারে মারিসনে মা
লালন গীতিসমগ্র
আর আমারে মারিসনে মা ।
বলি মা তোর চরণ ধরে ননী চুরি আর করবোনা ।।
ননীর জন্যে আজ আমারে মারলি গো মা বেধে ধরে ।
দয়া নাই মা তোর অন্তরে স্বল্পেতে গেলো জানা ।।
পরে মারে পরের ছেলে কেঁদে যেয়ে মাকে বলে ।
মা জননী নিঠুর হলে কে বোঝে শিশুর বেদনা ।।
ছেড়ে দে মা হাতের বাঁধন যায় যেদিক এই দু নয়ন মন ।
পরের ডাকে ডাকবে এখন লালন তোর গৃহে আর থাকবে না ।।
লালন গীতিসমগ্র
আর আমারে মারিসনে মা ।
বলি মা তোর চরণ ধরে ননী চুরি আর করবোনা ।।
ননীর জন্যে আজ আমারে মারলি গো মা বেধে ধরে ।
দয়া নাই মা তোর অন্তরে স্বল্পেতে গেলো জানা ।।
পরে মারে পরের ছেলে কেঁদে যেয়ে মাকে বলে ।
মা জননী নিঠুর হলে কে বোঝে শিশুর বেদনা ।।
ছেড়ে দে মা হাতের বাঁধন যায় যেদিক এই দু নয়ন মন ।
পরের ডাকে ডাকবে এখন লালন তোর গৃহে আর থাকবে না ।।
লালন গীতিসমগ্র
ভাব বিনে কি ভাবের মানুষ ধরতে পারা যায়
জালাল গীতিসমগ্র
ভাব বিনে কি ভাবের মানুষ ধরতে পারা যায়
অচেনা এক ভাবের পাখি, হৃদাকাশে উড়ছে সদায় ।।
প্রেমময়ের প্রেমমুখ, দেখবার আশে কতই দুঃখ
স্থুল জগতে হইলো সুক্ষ্ম, তাই সে চিনা বিষম দায় ।।
ভাবেতে ব্রহ্মাণ্ড ঘুরে, বিশ্বব্যাপী একটি তারে
প্রাণের কথা ধীরে ধীরে, কানের কাছে কয়ে যায় ।।
কাননে ঐ কুসুম কলি, ঝরে ফোটে আসে অলি
রক্তজবা জুই চামেলী, আপনা রঙ্গ আপনি চায়
গিরি গুহায় বর্তমান, আছে কত ভাবের পাষাণ
এক জনেরই অনুসন্ধান, করতেছে লতায় পাতায় ।।
কেন জন্ম মৃত্যূ হয়, কয়জনে তার খবর লয়
গ্রহ তারা গগনময়, মিটি মিটি কেন চায়
ভাবের সাগর গভীর ভারি, সকলের ঘটেনা পাড়ি
প্রেমিকের ভাঙা তরী, বিন বাতাসে উজান ধায় ।।
ভাব নদীতে জীবনধারা, চলছে ভাটি, রয়না খাড়া
তেমনি করে যায় যে মারা, বাহ্য লীলা ভুল কোথায়
জালাল কয় মোর ভাবের গোলা, গুরু বিনে যায়না খোলা
দুই চক্ষে পড়েছে ধুলা, মন মজেনা চরণ সেবায় ।।
জালাল গীতিসমগ্র
ভাব বিনে কি ভাবের মানুষ ধরতে পারা যায়
অচেনা এক ভাবের পাখি, হৃদাকাশে উড়ছে সদায় ।।
প্রেমময়ের প্রেমমুখ, দেখবার আশে কতই দুঃখ
স্থুল জগতে হইলো সুক্ষ্ম, তাই সে চিনা বিষম দায় ।।
ভাবেতে ব্রহ্মাণ্ড ঘুরে, বিশ্বব্যাপী একটি তারে
প্রাণের কথা ধীরে ধীরে, কানের কাছে কয়ে যায় ।।
কাননে ঐ কুসুম কলি, ঝরে ফোটে আসে অলি
রক্তজবা জুই চামেলী, আপনা রঙ্গ আপনি চায়
গিরি গুহায় বর্তমান, আছে কত ভাবের পাষাণ
এক জনেরই অনুসন্ধান, করতেছে লতায় পাতায় ।।
কেন জন্ম মৃত্যূ হয়, কয়জনে তার খবর লয়
গ্রহ তারা গগনময়, মিটি মিটি কেন চায়
ভাবের সাগর গভীর ভারি, সকলের ঘটেনা পাড়ি
প্রেমিকের ভাঙা তরী, বিন বাতাসে উজান ধায় ।।
ভাব নদীতে জীবনধারা, চলছে ভাটি, রয়না খাড়া
তেমনি করে যায় যে মারা, বাহ্য লীলা ভুল কোথায়
জালাল কয় মোর ভাবের গোলা, গুরু বিনে যায়না খোলা
দুই চক্ষে পড়েছে ধুলা, মন মজেনা চরণ সেবায় ।।
জালাল গীতিসমগ্র
মুর্শীদ ধর তন বিচার, মওলার নাম লইয়া কাম কর সার
কালাশা গীতিসমগ্র
মুর্শীদ ধর তন বিচার, মওলার নাম লইয়া কাম কর সার ।
ওরে মুর্শীদ বিনে এই সংসারে কে আছে আপন তোমার ।।
এ দুনিয়া হবে ফানা, বুঝলি না তুই মনরে কানা ।
ঘরের জরু, বিষের লাড়ু ওরে তুমি করছো সার ।।
সঙ্গের সঙ্গী কেহ নাই, কি বুঝ পাইয়াছো ভাই ।
আসবে শমন, বাঁধবে যখন, দোহাই তখন দিবে কার ।।
ধরিয়া মুর্শীদের হাতে, কবর হাশর পুলছেরাতে ।
ছকরাত সময়ের কালে মুর্শীদ করিবেন পার ।।
অধম কালাশায় বলে, জান শরীফ শার চরণ তলে ।
মুর্শীদ ইমাম ঠিক হইলে কিসের মুশকিল হবে তার ।।
কালাশা গীতিসমগ্র
মুর্শীদ ধর তন বিচার, মওলার নাম লইয়া কাম কর সার ।
ওরে মুর্শীদ বিনে এই সংসারে কে আছে আপন তোমার ।।
এ দুনিয়া হবে ফানা, বুঝলি না তুই মনরে কানা ।
ঘরের জরু, বিষের লাড়ু ওরে তুমি করছো সার ।।
সঙ্গের সঙ্গী কেহ নাই, কি বুঝ পাইয়াছো ভাই ।
আসবে শমন, বাঁধবে যখন, দোহাই তখন দিবে কার ।।
ধরিয়া মুর্শীদের হাতে, কবর হাশর পুলছেরাতে ।
ছকরাত সময়ের কালে মুর্শীদ করিবেন পার ।।
অধম কালাশায় বলে, জান শরীফ শার চরণ তলে ।
মুর্শীদ ইমাম ঠিক হইলে কিসের মুশকিল হবে তার ।।
কালাশা গীতিসমগ্র
কৃষ্ণ নাম ব্রহ্ম সনাতন দিবা নিশি কর রে ভাবন
রাধারমণ গীতিসমগ্র
কৃষ্ণ নাম ব্রহ্ম সনাতন দিবা নিশি কর রে ভাবন ।
এক অক্ষরী নামের তরী দুই অক্ষরী জিনিষ ভরি
নামের নৌকা করবে সাজন ডাকাইতেরই ভয় আছেরে মন
লুইটে নিবো সবই ধন
নিতাই চান্দের হাটে যাইয়ে প্রেমধন বোঝাই করিয়ে
মালের কোঠায় চাপি দেও রে মন
সাবধানে চালাইও তরী মারা না যাইবায় কখন ।
রমণ গোসাইর ঐ বাসনা শ্যাম জ্বালায় প্রাণ বাঁচেনা
প্রেমজ্বালায় জ্বলিয়াছে অন্তর
হরি বলে ব্রজে চল যাইবায় বৃন্দাবন ।
রাধারমণ গীতিসমগ্র
কৃষ্ণ নাম ব্রহ্ম সনাতন দিবা নিশি কর রে ভাবন ।
এক অক্ষরী নামের তরী দুই অক্ষরী জিনিষ ভরি
নামের নৌকা করবে সাজন ডাকাইতেরই ভয় আছেরে মন
লুইটে নিবো সবই ধন
নিতাই চান্দের হাটে যাইয়ে প্রেমধন বোঝাই করিয়ে
মালের কোঠায় চাপি দেও রে মন
সাবধানে চালাইও তরী মারা না যাইবায় কখন ।
রমণ গোসাইর ঐ বাসনা শ্যাম জ্বালায় প্রাণ বাঁচেনা
প্রেমজ্বালায় জ্বলিয়াছে অন্তর
হরি বলে ব্রজে চল যাইবায় বৃন্দাবন ।
রাধারমণ গীতিসমগ্র
কে যাও রে মদীনার পথে, ওহে মুসাফির
দুর্বিন গীতিসমগ্র
কে যাও রে মদীনার পথে, ওহে মুসাফির ।
আমার সালাম কইও, দরবারে নবীর ।।
নূরে নূরীতন, নবী আলী মা ফাতেমা
হাসান আর হোসন, ওরা পাক পাঞ্জাতন ।
রাখি আশা পদতলে, হইতে মোহাজির ।।
ওই নাম অজিফা হরদম, মোহাম্মদ মোস্তফা নবী
ছারওয়ারে আলম, যিনি হাবীবে আজম ।
হায় আল্লাহ দেখাও আমারে, নূরানী তাসবীর ।।
রাহি যাইতে মদীনা, রওজা মোবারক আমারে
দেখাও রব্বানা, চোখের পরদা রেখোনা ।
দুর্বিন শা পাগল দেওয়ানা, ওই নামের ফকীর ।।
দুর্বিন গীতিসমগ্র
কে যাও রে মদীনার পথে, ওহে মুসাফির ।
আমার সালাম কইও, দরবারে নবীর ।।
নূরে নূরীতন, নবী আলী মা ফাতেমা
হাসান আর হোসন, ওরা পাক পাঞ্জাতন ।
রাখি আশা পদতলে, হইতে মোহাজির ।।
ওই নাম অজিফা হরদম, মোহাম্মদ মোস্তফা নবী
ছারওয়ারে আলম, যিনি হাবীবে আজম ।
হায় আল্লাহ দেখাও আমারে, নূরানী তাসবীর ।।
রাহি যাইতে মদীনা, রওজা মোবারক আমারে
দেখাও রব্বানা, চোখের পরদা রেখোনা ।
দুর্বিন শা পাগল দেওয়ানা, ওই নামের ফকীর ।।
দুর্বিন গীতিসমগ্র
ফাক তালে দুনিয়া ঘুরে সমের ঘরে বেদম ফাঁকি
মনোমোহন গীতিসমগ্র
ফাক তালে দুনিয়া ঘুরে সমের ঘরে বেদম ফাঁকি ।
ঠিক দিয়া দেখ জমা খরচ, উসুল নাই তোর কেবল বাকী ।।
যখন ভবে পয়দা হলে, তখন হতে খরচ গেলে
হিসাব করে দেখনা মূলে, হারে রে পিঞ্জরের পাখি ।
পুতুল খেলায় পুতুল সাজি, যাদের লাগি এ কারসাজি
বম ভোলানাথ দিয়া তারা, রসি বেধে মারছে ঝুকি ।
বুঝিয়া না বুঝিস কানা, আখেরে দুনিয়া ফানা
সার হলো তোর ধান ভানা, হারে মানুষ কলের ঢেকি ।
ভাব বুঝিয়ে মনোমোহন, পলায়ে রাখে জীবন,
ঘুমের ঘোরে দেখে স্বপন, কাল শমনে মারছে উকি ।
পলাইতে পথ আছে, দিন থাকিতে লওনা খুজে
পান্থশালার মন্থের কাছে, জানতে পারলে হয় লুকি ।।
মনোমোহন গীতিসমগ্র
ফাক তালে দুনিয়া ঘুরে সমের ঘরে বেদম ফাঁকি ।
ঠিক দিয়া দেখ জমা খরচ, উসুল নাই তোর কেবল বাকী ।।
যখন ভবে পয়দা হলে, তখন হতে খরচ গেলে
হিসাব করে দেখনা মূলে, হারে রে পিঞ্জরের পাখি ।
পুতুল খেলায় পুতুল সাজি, যাদের লাগি এ কারসাজি
বম ভোলানাথ দিয়া তারা, রসি বেধে মারছে ঝুকি ।
বুঝিয়া না বুঝিস কানা, আখেরে দুনিয়া ফানা
সার হলো তোর ধান ভানা, হারে মানুষ কলের ঢেকি ।
ভাব বুঝিয়ে মনোমোহন, পলায়ে রাখে জীবন,
ঘুমের ঘোরে দেখে স্বপন, কাল শমনে মারছে উকি ।
পলাইতে পথ আছে, দিন থাকিতে লওনা খুজে
পান্থশালার মন্থের কাছে, জানতে পারলে হয় লুকি ।।
মনোমোহন গীতিসমগ্র
এগো মা তব সম রুপ রঙ্গ কার
হাছন গীতিসমগ্র
এগো মা তব সম রুপ রঙ্গ কার ।
ঝিলিমিলি করে রুপে দেখি যে তোমার ।
বলা নাহি যায় তব রুপেরই বাহার ।।
সেই রুপে ঘর বানাইলো কলিজায় আমার ।
সব ছাড়িয়ে তব রুপ করিয়াছি সার ।।
রুপেতে মিশিবো তব কিছু চাইনা আর ।
এই মনে সাধ হইয়াছে হাছন রাজার ।
হাছন গীতিসমগ্র
এগো মা তব সম রুপ রঙ্গ কার ।
ঝিলিমিলি করে রুপে দেখি যে তোমার ।
বলা নাহি যায় তব রুপেরই বাহার ।।
সেই রুপে ঘর বানাইলো কলিজায় আমার ।
সব ছাড়িয়ে তব রুপ করিয়াছি সার ।।
রুপেতে মিশিবো তব কিছু চাইনা আর ।
এই মনে সাধ হইয়াছে হাছন রাজার ।
হাছন গীতিসমগ্র
আপনার আপনি যদি চেনা যায়
লালন গীতিসমগ্র
আপনার আপনি যদি চেনা যায় ।
তবে তারে চিনতে পারি সেই দয়াময় ।।
ওপরওয়ালা সদর বারি আত্মারুপে অবতারী ।
মনের ঘোরে চিনতে নারি কীসে কি হয় ।।
যে অঙ্গ সেই অংশকলা কায় বিশেষে ভিন্ন বলা ।
যার ঘুচেছে মনের ঘোলা সে কী তা কয় ।।
সেই আমি কি এই আমি তাই জানিলে যায় দুর্ণামী ।
লালন কয় তবে কি ভ্রমি ও ভবকুপায় ।।
লালন গীতিসমগ্র
আপনার আপনি যদি চেনা যায় ।
তবে তারে চিনতে পারি সেই দয়াময় ।।
ওপরওয়ালা সদর বারি আত্মারুপে অবতারী ।
মনের ঘোরে চিনতে নারি কীসে কি হয় ।।
যে অঙ্গ সেই অংশকলা কায় বিশেষে ভিন্ন বলা ।
যার ঘুচেছে মনের ঘোলা সে কী তা কয় ।।
সেই আমি কি এই আমি তাই জানিলে যায় দুর্ণামী ।
লালন কয় তবে কি ভ্রমি ও ভবকুপায় ।।
লালন গীতিসমগ্র
কর পরশনে যেমন বেজে ওঠে তার
জালাল গীতিসমগ্র
কর পরশনে যেমন বেজে ওঠে তার
মম হৃদি যন্ত্র বাজে, তেমনি পরশে তোমার ।।
ছুটিছে মলয়, গাইছে কোকিল, স্থাবর জঙ্গম, অনল অনীল
একই তালে ধরিয়ে জ্বিল, আকাশ পাতাল পিছনে আর ।।
যে সুরে এই ভুবন ছাওয়া, সে রাগিণী হয়না গাওয়া
সার হয়েছে তরী বাওয়া, অকূলে না পেয়ে কিনার ।।
এক চাবিতে জন্মের মত, ঘুরছে ঘড়ির কাটা যত
গোপন থেকে চোরের মত, সদায় দিতেছে হে ঝঙ্কার ।।
কখন কাঁদি, আবার হাসি, যতই ডুবি ততই ভাসি
জানতে গেলেই গলায় ফাসি, এ তোমার ভুল নয় অবিচার ।।
ভেবে কয় জালাল উদ্দিন, এমন দিন গিয়েছে একদিন
আছো কি নাই ভাবতে গিয়ে, করতাম সোজা অস্বীকার ।।
জালাল গীতিসমগ্র
কর পরশনে যেমন বেজে ওঠে তার
মম হৃদি যন্ত্র বাজে, তেমনি পরশে তোমার ।।
ছুটিছে মলয়, গাইছে কোকিল, স্থাবর জঙ্গম, অনল অনীল
একই তালে ধরিয়ে জ্বিল, আকাশ পাতাল পিছনে আর ।।
যে সুরে এই ভুবন ছাওয়া, সে রাগিণী হয়না গাওয়া
সার হয়েছে তরী বাওয়া, অকূলে না পেয়ে কিনার ।।
এক চাবিতে জন্মের মত, ঘুরছে ঘড়ির কাটা যত
গোপন থেকে চোরের মত, সদায় দিতেছে হে ঝঙ্কার ।।
কখন কাঁদি, আবার হাসি, যতই ডুবি ততই ভাসি
জানতে গেলেই গলায় ফাসি, এ তোমার ভুল নয় অবিচার ।।
ভেবে কয় জালাল উদ্দিন, এমন দিন গিয়েছে একদিন
আছো কি নাই ভাবতে গিয়ে, করতাম সোজা অস্বীকার ।।
জালাল গীতিসমগ্র
এশকো ছাড়া কোন চিজ পয়দা হইলো রে ভাই দুনিয়ায়
কালাশা গীতিসমগ্র
এশকো ছাড়া কোন চিজ পয়দা হইলো রে ভাই দুনিয়ায় ।
আশকী কি ধন নাই চিনে পরের গীবত সদায় গায় ।।
এশকো মোহাব্বাত নাহি যার, অসারের জিন্দেগী তার ।
পশুর মত কারবার, বিফলে জিন্দেগী যায় ।।
আলেম-ওলামা শত শত, ওয়াজ নসিহত করে কত ।
হইলোনা তার মন রত অজম্ভূতের মত হায় ।।
মজাজি আশিক জার, হইবে ভাই গ্রেপ্তার ।
এশকো সাদেক না হইলে জাহান্নামে যাবে হায় ।।
অধম কালাশায় বলে, জান শরীফ শার চরণ তলে ।
করিয়াছি ভরসা মনে, মুর্শীদ নি তরাইবায় ।।
কালাশা গীতিসমগ্র
এশকো ছাড়া কোন চিজ পয়দা হইলো রে ভাই দুনিয়ায় ।
আশকী কি ধন নাই চিনে পরের গীবত সদায় গায় ।।
এশকো মোহাব্বাত নাহি যার, অসারের জিন্দেগী তার ।
পশুর মত কারবার, বিফলে জিন্দেগী যায় ।।
আলেম-ওলামা শত শত, ওয়াজ নসিহত করে কত ।
হইলোনা তার মন রত অজম্ভূতের মত হায় ।।
মজাজি আশিক জার, হইবে ভাই গ্রেপ্তার ।
এশকো সাদেক না হইলে জাহান্নামে যাবে হায় ।।
অধম কালাশায় বলে, জান শরীফ শার চরণ তলে ।
করিয়াছি ভরসা মনে, মুর্শীদ নি তরাইবায় ।।
কালাশা গীতিসমগ্র
কালারে মুই তোরে চিনলাম না
রাধারমণ গীতিসমগ্র
কালারে মুই তোরে চিনলাম না
তুই যে অনাথের বন্ধু তর অই যত কারখানা ।।
তুই কালা অনাথের বন্ধু পার কর ভবসিন্ধু
না বুঝিলাম এক বিন্দু তোর যত ছলনা ।
তুই কালায় করিলে ভক্তি পাপী তাপী পায় মুক্তি
তোর সনে করিলে চুক্তি শেষকালের ভয় থাকেনা
ভাবিয়া রাধারমণ বলে কোন পথে তোরে মিলে
কান্দি জনম গয়াইলে পাইনা তোর ঠিকানা ।
রাধারমণ গীতিসমগ্র
কালারে মুই তোরে চিনলাম না
তুই যে অনাথের বন্ধু তর অই যত কারখানা ।।
তুই কালা অনাথের বন্ধু পার কর ভবসিন্ধু
না বুঝিলাম এক বিন্দু তোর যত ছলনা ।
তুই কালায় করিলে ভক্তি পাপী তাপী পায় মুক্তি
তোর সনে করিলে চুক্তি শেষকালের ভয় থাকেনা
ভাবিয়া রাধারমণ বলে কোন পথে তোরে মিলে
কান্দি জনম গয়াইলে পাইনা তোর ঠিকানা ।
রাধারমণ গীতিসমগ্র
নবীজি নবীজি নবীজি
দুর্বিন গীতিসমগ্র
নবীজি নবীজি নবীজি
তব চরণ পরশে আঁধার ঘুচিলো মরুদেশে ।।
পাপী তাপীর দায়, জন্ম নিয়াছো মক্কায়
সাধিবারে কাজ, আপে গেলেন মেহেরাজ
শফিউল মুজনবীন, শফিউল মুজনবীন, বিশ্ব মুগ্ধ সুবাসে ।।
কত আশিকান, প্রেমে দিলো প্রাণ
পাইতে চরণ, করে কঠোর সাধন
ইয়া রাসুল, ইয়া রাসুল, ইয়া রাসুল, জপে হুশ বেহুশে ।।
নূরেরই সুরত, ফেরেস্তা খাসলত
করিলেন গুলজার, দুনিয়ার মাঝার
পয়গাম্বর পয়গাম্বর পয়গাম্বর তুমি সর্বশেষে ।।
নূরেরই পুতুল, আশিকে বুলবুল
যাইতে ফুলসেরাত, করিবেন শাফায়াত
দুর্বিন শা, দুর্বিন শা, দুর্বিন শা আছে চরণ আশে ।।
দুর্বিন গীতিসমগ্র
নবীজি নবীজি নবীজি
তব চরণ পরশে আঁধার ঘুচিলো মরুদেশে ।।
পাপী তাপীর দায়, জন্ম নিয়াছো মক্কায়
সাধিবারে কাজ, আপে গেলেন মেহেরাজ
শফিউল মুজনবীন, শফিউল মুজনবীন, বিশ্ব মুগ্ধ সুবাসে ।।
কত আশিকান, প্রেমে দিলো প্রাণ
পাইতে চরণ, করে কঠোর সাধন
ইয়া রাসুল, ইয়া রাসুল, ইয়া রাসুল, জপে হুশ বেহুশে ।।
নূরেরই সুরত, ফেরেস্তা খাসলত
করিলেন গুলজার, দুনিয়ার মাঝার
পয়গাম্বর পয়গাম্বর পয়গাম্বর তুমি সর্বশেষে ।।
নূরেরই পুতুল, আশিকে বুলবুল
যাইতে ফুলসেরাত, করিবেন শাফায়াত
দুর্বিন শা, দুর্বিন শা, দুর্বিন শা আছে চরণ আশে ।।
দুর্বিন গীতিসমগ্র
আমার সংসার নয়তো রে ভাই, ওটা একটা পান্থশালা
মনোমোহন গীতিসমগ্র
আমার সংসার নয়তো রে ভাই, ওটা একটা পান্থশালা
দিনেক দুদিন বিশ্রাম করে, অমনি আবার যেতে চলা ।
আমার মত কতই জনে, আমার আমার ভেবে মনে
অহঙ্কৃত ছিলো ধনে, পেতে ছিলো সাধের মেলা ।
তার আগে তার আগে কত, ছিলো আরো শত শত
চিনিনা সে জন্মের মত, ভেঙ্গে গেছে সুখের খেলা ।
হাসিটি ফুরাতে দেয়না, অমনি আবার ছুটে কান্না
কাজ নাই আমার এ ঘরকন্না, আর ভালো লাগেনা জ্বালা ।
মনো বলছে তাই ভাবিয়ে, চোখ মুদিয়ে দেখ চেয়ে
গরম ছেড়ে নরম হয়ে, পর হরিনামের মালা ।।
মনোমোহন গীতিসমগ্র
আমার সংসার নয়তো রে ভাই, ওটা একটা পান্থশালা
দিনেক দুদিন বিশ্রাম করে, অমনি আবার যেতে চলা ।
আমার মত কতই জনে, আমার আমার ভেবে মনে
অহঙ্কৃত ছিলো ধনে, পেতে ছিলো সাধের মেলা ।
তার আগে তার আগে কত, ছিলো আরো শত শত
চিনিনা সে জন্মের মত, ভেঙ্গে গেছে সুখের খেলা ।
হাসিটি ফুরাতে দেয়না, অমনি আবার ছুটে কান্না
কাজ নাই আমার এ ঘরকন্না, আর ভালো লাগেনা জ্বালা ।
মনো বলছে তাই ভাবিয়ে, চোখ মুদিয়ে দেখ চেয়ে
গরম ছেড়ে নরম হয়ে, পর হরিনামের মালা ।।
মনোমোহন গীতিসমগ্র
একদিন তোর হইবে মরণ রে হাছন রাজা
হাছন গীতিসমগ্র
একদিন তোর হইবে মরণ রে হাছন রাজা
একদিন তোর হইবে মরণ ।
মায়াজালে বেড়িয়া মরণ, না হইলো স্মরণ রে, হাছন রাজা ।
একদিন তোর হইবে মরণ ।।
যমের দূতে আসিয়া তোমায় হাতে দিবে দড়ি ।
টানিয়া টানিয়া লইয়া যাবে যমেরও পুরী রে ।।
সে সময় কোথায় রইবো তোমার সুন্দর সুন্দর স্ত্রী ।
কোথায় রইবো রামপাশা কোথায় লক্ষণছিরি রে ।।
করবায় নিরে হাছন রাজা রামপাশায় জমিদারী ।
করবায় নিরে কাপনা নদীর পাড়ে ঘুরাঘুরি রে ।।
আর যাইবায় নিরে হাছন রাজা, রাজাগঞ্জ দিয়া ।
করবায় নিরে হাছন রাজা দেখে দেখে বিয়া রে ।।
ছাড় ছাড় হাছন রাজা এ সবের আশা ।
প্রাণ বন্ধের চরণ তলে কর গিয়া বাসা রে ।।
গুরুর উপদেশ শুনিয়া হাছন রাজায় কয় ।
সব তেয়াগিলাম আমি দেও পদাশ্রয় রে ।।
হাছন রাজা একদিন তোর হইবে মরণ ।।
হাছন গীতিসমগ্র
একদিন তোর হইবে মরণ রে হাছন রাজা
একদিন তোর হইবে মরণ ।
মায়াজালে বেড়িয়া মরণ, না হইলো স্মরণ রে, হাছন রাজা ।
একদিন তোর হইবে মরণ ।।
যমের দূতে আসিয়া তোমায় হাতে দিবে দড়ি ।
টানিয়া টানিয়া লইয়া যাবে যমেরও পুরী রে ।।
সে সময় কোথায় রইবো তোমার সুন্দর সুন্দর স্ত্রী ।
কোথায় রইবো রামপাশা কোথায় লক্ষণছিরি রে ।।
করবায় নিরে হাছন রাজা রামপাশায় জমিদারী ।
করবায় নিরে কাপনা নদীর পাড়ে ঘুরাঘুরি রে ।।
আর যাইবায় নিরে হাছন রাজা, রাজাগঞ্জ দিয়া ।
করবায় নিরে হাছন রাজা দেখে দেখে বিয়া রে ।।
ছাড় ছাড় হাছন রাজা এ সবের আশা ।
প্রাণ বন্ধের চরণ তলে কর গিয়া বাসা রে ।।
গুরুর উপদেশ শুনিয়া হাছন রাজায় কয় ।
সব তেয়াগিলাম আমি দেও পদাশ্রয় রে ।।
হাছন রাজা একদিন তোর হইবে মরণ ।।
হাছন গীতিসমগ্র
আপন মনের গুণে সকলই হয়
লালন গীতিসমগ্র
আপন মনের গুণে সকলই হয় ।
পিড়েয় পায় পেড়োর খবর কেউ দূরে যায় ।।
মুসলমানের মক্কাতে মন হিন্দু করে কাশী ভ্রমণ ।
মনের মধ্যে অমূল্য ধন কে ঘুরে বেড়ায় ।।
রামদাস রামদাস বলে জাতে সে মুচির ছেলে ।
গঙ্গা মাকে হেরে নিলে চাম কেটোয়ায় ।।
জাতে সে জোলা কবীর উড়িষ্যায় তাহার জাহির ।
বারো জাত তারি হাড়ির তুড়ানি খায় ।।
কতজন ঘর ছেড়ে জঙ্গলে বাধে কুড়ে ।
লালন কয় রিপু ছেড়ে সে যাবে কোথায় ।।
লালন গীতিসমগ্র
আপন মনের গুণে সকলই হয় ।
পিড়েয় পায় পেড়োর খবর কেউ দূরে যায় ।।
মুসলমানের মক্কাতে মন হিন্দু করে কাশী ভ্রমণ ।
মনের মধ্যে অমূল্য ধন কে ঘুরে বেড়ায় ।।
রামদাস রামদাস বলে জাতে সে মুচির ছেলে ।
গঙ্গা মাকে হেরে নিলে চাম কেটোয়ায় ।।
জাতে সে জোলা কবীর উড়িষ্যায় তাহার জাহির ।
বারো জাত তারি হাড়ির তুড়ানি খায় ।।
কতজন ঘর ছেড়ে জঙ্গলে বাধে কুড়ে ।
লালন কয় রিপু ছেড়ে সে যাবে কোথায় ।।
লালন গীতিসমগ্র
চেনগা মানুষ ধরে
জালাল গীতিসমগ্র
চেনগা মানুষ ধরে
মানুষ দিয়া মানুষ বানাইয়া, সেই মানুষে খেলা করে ।।
কিসে দিব তার তুলনা, কায়া ভিন্ন প্রমাণ হয়না
পশুপক্ষি জীব আদি, যত এ সংসারে
দুইটি ভাণ্ডের পানি দিয়া, অষ্ট জিনিস গড়ে
তার ভিতরে নিজে গিয়ে, আত্ম রুপে বিরাজ করে ।।
মায়াসুতে জাল বুনিয়ে, প্রেমের ঘরে ভাব জাগায়ে
প্রাণেতে প্রাণ মিশাইয়ে, রহে জগৎ জুড়ে
নব রঙ্গে ফুল ফুটিলে, ভোমর আসে উড়ে
ফুলের মধু দেখতে সাদা, আপনি খেয়ে উদর ভরে ।।
সমুজ নিয়ে দেখো হয়ে, চলো ভেদ বিচারে
একটি পুরুষ নিজ ছুরতে, জগৎমাঝে ঘোরে
লক্ষ নারীর মন যুগাইয়া, প্রেমের মরা আপনি মরে ।।
জালাল গীতিসমগ্র
চেনগা মানুষ ধরে
মানুষ দিয়া মানুষ বানাইয়া, সেই মানুষে খেলা করে ।।
কিসে দিব তার তুলনা, কায়া ভিন্ন প্রমাণ হয়না
পশুপক্ষি জীব আদি, যত এ সংসারে
দুইটি ভাণ্ডের পানি দিয়া, অষ্ট জিনিস গড়ে
তার ভিতরে নিজে গিয়ে, আত্ম রুপে বিরাজ করে ।।
মায়াসুতে জাল বুনিয়ে, প্রেমের ঘরে ভাব জাগায়ে
প্রাণেতে প্রাণ মিশাইয়ে, রহে জগৎ জুড়ে
নব রঙ্গে ফুল ফুটিলে, ভোমর আসে উড়ে
ফুলের মধু দেখতে সাদা, আপনি খেয়ে উদর ভরে ।।
সমুজ নিয়ে দেখো হয়ে, চলো ভেদ বিচারে
একটি পুরুষ নিজ ছুরতে, জগৎমাঝে ঘোরে
লক্ষ নারীর মন যুগাইয়া, প্রেমের মরা আপনি মরে ।।
জালাল গীতিসমগ্র
Subscribe to:
Comments (Atom)